স্যোশাল মিডিয়া মার্কেটিং কি? কিভাবে এবং কেন করবেন?

একসময় মানুষ মার্কেটিং করার জন্য পোষ্টার, ব্যানার, বিলবোর্ড, লিফলেট, রেডিও, টেলিভিশন ইত্যাদি ট্রেডিশনাল মাধ্যম বেছে নিতো। কিন্তু এখন জমানা বদলে গেছে, এখন সবকিছু ডিজিটাল হয়ে গেছে। তাই এখন মার্কেটিংও মানুষ ডিজিটাল ভাবে করে। এতে করে সময়, পরিশ্রম, অর্থ সবকিছুতেই সাশ্রয় হয়। ডিজিটাল মার্কেটিং অনেক বড়ো একটি বিষয়, এর ভেতরে আলাদা আলাদা ভাবে অনেকগুলো পার্ট আছে, এসবের ভেতরে একটি পার্ট হলো স্যোশাল মিডিয়া মার্কেটিং। মার্কেটিং করার জন্য স্যোশাল মিডিয়া মার্কেটিং অনেক জনপ্রিয় ও ফলপ্রসূ একটি পদ্ধতি, এ পদ্ধতিতে টার্গেটেড অডিয়েন্সের কাছে নিজের পণ্য বা সেবা সম্পর্কে তুলে ধরা যায়। আজকের এই আর্টিকেলে আমি কথা বলব স্যোশাল মিডিয়া মার্কেটিং নিয়ে। যদি পুরো আর্টিকেলটি পড়েন তাহলে স্যোশাল মিডিয়া মার্কেটিং কি? কিভাবে ও কেন করবেন এটা নিয়ে আপনাদের পরিষ্কার ধারণা চলে আসবে। আশা করি দশ মিনিট সময় নিয়ে আমার পুরো লেখাটি পড়বেন।

স্যোশাল মিডিয়া কি?

স্যোশাল মিডিয়া ( Social Media ) বলতে যোগাযোগের ডিজিটাল গণমাধ্যমকে বুঝায়। যা দ্বারা ঘরে বসে দেশ বিদেশের মানুষের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করা যায়। যেমন ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম ইত্যাদি ডিজিটাল গণমাধ্যমকে স্যোশাল মিডিয়া বলা হয়।

স্যোশাল মিডিয়া মার্কেটিং কি?

স্যোশাল মিডিয়া ব্যবহার করে বা স্যোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে যে মার্কেটিং করা হয় তাকে স্যোশাল মিডিয়া মার্কেটিং ( Social Media Marketing ) বা সংক্ষেপে এস‌এম‌এম ( SMM ) বলে।

স্যোশাল মিডিয়া মার্কেটিং কেন করবেন?

ব্যবসা কিংবা প্রতিষ্ঠান যতো বেশি মার্কেটিং করা যাবে মানুষ ততো বেশি সেটার সম্পর্কে জানবে। তাই সেটার প্রচারের জন্য মার্কেটিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আজকাল মানুষ তাদের সময়ের বড়ো একটি অংশ স্যোশাল মিডিয়ায় স্ক্রলিং করে কাটাচ্ছে, সুতরাং বলা চলে আপনার যারা অডিয়েন্স কিংবা কাস্টমার আছে কিংবা যারা ভবিষ্যতে আপনার অডিয়েন্স হবে তাদের আপনি এসব স্যোশাল মিডিয়াগুলোতেই খুঁজে পাবেন। তাই আপনি যদি ঘরে বসেই আপনার ব্যবসা কিংবা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে তাদের জানাতে পারেন তাহলে আপনার অনেক সময় ও শ্রম সাশ্রয় হবে।

যদিও মার্কেটিং করার জন্য অনেকগুলো পদ্ধতি আছে। তবুও এতো সব পদ্ধতির মধ্যে একটি পদ্ধতি হলো স্যোশাল মিডিয়া মার্কেটিং, বর্তমানে এই পদ্ধতি অনেক বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এখন ছোট-বড় প্রায় সব প্রতিষ্ঠান‌ই স্যোশাল মিডিয়ায় তাদের সেবা বা পণ্যের মার্কেটিং করে। কারণ স্যোশাল মিডিয়ায় মার্কেটিং করা অনেক সহজ হয়ে উঠেছে। তাছাড়া এভাবে মার্কেটিং করতে কোন টাকা পয়সা খরচ করতে হয় না, তবে কেউ যদি এখানে টাকা পয়সা খরচ করে মার্কেটিং করে তাহলে রাইট অডিয়েন্সের কাছে নিজের প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে তুলে ধরা যায়, উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আপনি যদি আপনার ফেসবুক পেজে অ্যাডস চালু করেন তাহলে স্পেসিক ভাবে লোকেশন, জেন্ডার, বয়স, ডেমোগ্রাফি ইত্যাদি নির্ধারণ করে দিতে পারবেন। ধরে নিন, ঢাকার একটি গার্লস স্কুলের সামনে আপনার একটি স্টেশনারী দোকান আছে। এখন আপনি জানেন যে আপনার ক্রেতা হলো মেয়েরা তাদের বয়স হলো ১০ থেকে ২০ এর মধ্যে এবং তারা সবাই শিক্ষার্থী। তাই আপনি চাইলে আপনার দোকানের নামে একটি ফেসবুক পেজ খুলে অ্যাডস চালু করতে পারেন, আর সেই অ্যাডস এ আপনার দোকানের লোকেশন, ক্রেতার জেন্ডার, বয়স ইত্যাদি আপনি যেভাবে নির্ধারণ করে দিবেন ফেসবুক সেভাবেই তাদের কাছে প্রদর্শন করবে।‌ এতে করে আপনার সঠিক অডিয়েন্সের কাছে আপনার মার্কেটিং করা হলো, যা ট্রেডিশনাল মার্কেটিং এ করা যায় না, একারণে স্যোশাল মিডিয়া মার্কেটিং অনেক বেশি কার্যকরী।

স্যোশাল মিডিয়া মার্কেটিং কিভাবে করবেন?

স্যোশাল মিডিয়া মার্কেটিং কিভাবে করবেন এটা জানার আগে আপনাকে স্যোশাল মিডিয়াগুলো কিভাবে ব্যবহার করে এটা জানতে হবে। আপনি যখন এসব ব্যবহার করা শিখে যাবেন তখন এটা বুঝতে সহজ হবে যে কিভাবে এখানে মার্কেটিং করতে হয়। স্যোশাল মিডিয়াগুলোর নির্দিষ্ট কিছু অ্যালগরিদম থাকে, যদি আপনি একজন সফল স্যোশাল মিডিয়া মার্কেটার হতে চান তাহলে এই অ্যালগরিদম সম্পর্কে আপনার জানতে হবে। এবং স্যোশাল মিডিয়ায় নিজেকে নিয়মিত আপডেট রাখতে হবে। আপনি যখন স্যোশাল মিডিয়া কি এবং কিভাবে এর ব্যবহার করতে হয় এসব শিখে যাবেন তখন আপনি স্যোশাল মিডিয়া মার্কেটিং শেখা শুরু করে দিবেন। এটা শেখার জন্য আপনি ইউটিউব কিংবা কোন কোর্স করতে পারেন।

কয়েকটি জনপ্রিয় স্যোশাল মিডিয়া?

ইন্টারনেট জগতে অনেক স্যোশাল মিডিয়া সাইট আছে, আমি এখানে পাঁচটি জনপ্রিয় স্যোশাল মিডিয়া সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করলাম, সেগুলো হলো :

Facebook

বিশ্বের সবচেয়ে বড়ো এবং জনপ্রিয় একটি স্যোশাল মিডিয়া সাইট হলো ফেসবুক। এটি আমাদের বাংলাদেশেও সবচেয়ে জনপ্রিয় মিডিয়া। বাংলাদেশে প্রায় ৬ কোটি মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করে, সুতরাং বলা যায় আপনার অডিয়েন্সের বৃহৎ একটি জনগোষ্ঠী ফেসবুক ব্যবহার করছে, আপনি চাইলে খুব সহজেই ফেসবুক মার্কেটিং করে তাদের কাছে আপনার প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে তুলে ধরতে পারবেন। ফেসবুকে মার্কেটিং করার জন্য কয়েকটি অপশন রয়েছে। যেমন;

  • আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে মার্কেটিং করতে পারবেন।
  • ফেসবুক পেজ খুলে মার্কেটিং করতে পারবেন।
  • ফেসবুক গ্রুপে পোষ্ট করে মার্কেটিং করতে পারবেন।
  • ফেসবুক মার্কেটপ্লেস ব্যবহার করে মার্কেটিং করতে পারবেন।

Instagram

ইনস্টাগ্রাম হলো ছবি শেয়ার করার জন্য জনপ্রিয় একটি প্লাটফর্ম। এটাও ফেসবুকেরই একটি সাইট। আপনি আপনার প্রোডাক্টের ছবি তুলে সেটা সুন্দর করে এডিট করে ইনস্টাগ্রামে আপলোড করে মার্কেটিং করতে পারবেন।

YouTube

ভিডিও শেয়ার করার জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি প্লাটফর্ম হলো ইউটিউব। আজকাল মানুষের কোন কিছু সম্পর্কে জানার ইচ্ছে হলেই ইউটিউবে ঢুকে সার্চ করে। তাই আপনি যদি আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে ভিডিও বানিয়ে ইউটিউবে আপলোড করেন তাহলে সেটা আপনার অডিয়েন্স পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে।

Twitter

বাংলাদেশে টুইটার খুব বেশি জনপ্রিয় নয়, কিন্তু আপনার অডিয়েন্স যদি ইন্টারন্যাশনাল হয় তবে টুইটার মার্কেটিং আপনার জন্য বেশ ফলপ্রসূ হবে। টুইটারে আপনি ছোট ছোট পোষ্ট করতে পারবেন।

Pinterest

ইউটিউব যেমন আমরা ভিডিও দেখি তেমনি পিন্টারেস্টে মানুষ ছবি দেখে। টুইটারের মতো এটিও বাংলাদেশে খুব বেশি জনপ্রিয় নয়, আপনার গ্রাহক যদি বিদেশি হয় তাহলে পিন্টারেস্ট মার্কেটিং আপনার জন্য বেশ কার্যকরী। এখানে আপনি আপনার প্রোডাক্ট বা সার্ভিসের ছবি তুলে পোষ্ট করে মার্কেটিং করতে পারবেন।

আরো পড়ুন:

স্যোশাল মিডিয়া মার্কেটিং এর কিছু টিপস

স্যোশাল মিডিয়া মার্কেটিং করে ভালো ফলাফল পেতে চাইলে আপনাকে কিছু প্রয়োজনীয় নিয়ম মেনে চলতে হবে, যদি নিয়ম ছাড়া মার্কেটিং করেন তাহলে খুব ভালো ফলাফল আসা করা যায় না তাই আপনাকে এই নিয়মগুলো সম্পর্কে জানতে হবে।

অ্যালগরিদম

প্রত্যেক স্যোশাল মিডিয়া নিজস্ব অ্যালগরিদম অনুযায়ী চলে, আপনাকে অ্যালগরিদম মেনে সেগুলো ব্যবহার করতে হবে। আপনি যদি অ্যালগরিদম মেনে সেগুলো ব্যবহার করেন তাহলে অর্গানিক ভাবে ভালো ফলাফল পাবেন। তাছাড়া আপনাকে এই অ্যালগরিদম সম্পর্কে আপডেট থাকতে হবে, কারণ প্রতি বছর প্রত্যেক স্যোশাল মিডিয়া তাদের অ্যালগরিদম আপডেট করে।

নিয়মিত পোষ্ট

স্যোশাল মিডিয়ায় পোষ্ট করার ক্ষেত্রে আপনাকে রেগুলারটি মেইনটেইন করতে হবে। আপনি যদি অনিয়মিত পোষ্ট করেন তাহলে আপনার পেজ বা অ্যাকাউন্ট র্যাংক করবে না। এজন্য আপনাকে রুটিন মাফিক পোষ্ট করতে হবে। কোনদিন কি পোষ্ট করবেন সেটা আগে থেকেই সিডিউল করে রাখবেন। তবে শুধু আর্টিকেল পোষ্ট করে গ্রো করতে পারবেন না, আপনাকে অডিও, ভিডিও, ছবি এগুলো ও পোষ্ট করতে হবে।

৮০/২০ রুলস

অডিয়েন্স ধরে রাখার জন্য এই রুলসটি অনেক ফলপ্রসূ। আপনি যদি সবসময় শুধু প্রমোশনাল কন্টেন্ট আপলোড করেন তাহলে আপনার অডিয়েন্স বোর ফিল করবে, এজন্য মাঝে মাঝে অনান্য বিষয় সম্পর্কেও পোস্ট করতে হবে। যেমন পাঁচটি পোষ্টের মধ্যে চারটি যদি আপনার প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিস সম্পর্কিত হয় তাহলে একটি পোষ্ট করতে হবে অনান্য বিষয় সম্পর্কে। সেটা হতে পারে মজাদার কোনকিছু, যেটা দেখে আপনার অডিয়েন্স বিনোদন পাবে এমন কিছু। অর্থাৎ ৮০ পার্সেন্ট আপনার প্রোডাক্ট বা সার্ভিস সম্পর্কিত পোষ্ট করবেন আর বাকি ২০ পার্সেন্ট অন্যান্য পোষ্ট করবেন।

অ্যাঙ্গেজমেন্ট

অডিয়েন্স ধরে রাখার জন্য অ্যাঙ্গেজমেন্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আপনি যদি আপনার অডিয়েন্সের মেসেজের রিপ্লাই না দেন, তাদের কমেন্টের রিপ্লাই না দেন, তাহলে তারা আপনার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে। আপনাকে তাদের মেসেজ কিংবা কমেন্টের পজেটিভ রিপ্লাই দিতে হবে। এবং আপনার সার্ভিস রিলেটেড যেসব অ্যাকাউন্ট বা পেজ আছে সেগুলোতে নিয়মিত রিয়েক্ট/কমেন্ট করতে হবে। আর আপনি ঠিক মতো অ্যাঙ্গেজমেন্ট করলে আপনার পেজ বা অ্যাকাউন্ট সহজেই র্যাংক করবে।

হ্যাশট্যাগ

স্যোশাল মিডিয়ায় হ্যাশট্যাগ এর ব্যবহার বিশেষ ফলপ্রসূ। এই হ্যাশট্যাগ ব্যবহারের ফলে আজকাল অনেক কিছুই ভাইরাল হয়ে যায়। তাই আপনার কনটেন্টগুলোতে হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করুন। এতে করে মানুষ সহজেই আপনার কন্টেন্ট খুঁজে পাবে।

অ্যানালাইসিস

শুধু নিয়মিত পোষ্ট করে গেলে হবে না, সেগুলো অ্যানালাইসিস করতে হবে। কোন সময়ে, কি বারে, কোন লিঙ্গের, কোন লোকেশনের, কত জন মানুষ আপনার পোষ্টে লাইক কমেন্ট করছে এগুলোর সবকিছুই আপনাকে অ্যানালাইসিস করতে হবে। তাহলে বুঝতে পারবেন আপনার অডিয়েন্স কোন সময় এবং কি বারে এক্টিভ থাকে। এবং সেই সময় এবং বার অনুযায়ী পোষ্ট করলে সেটা বেশি রিচ হবে। এবং তারা কোন লিঙ্গের কোন বয়সের সেটা জানতে পারবেন। এসব অ্যানালাইসিস করে জেনে নিয়ে মার্কেটিং করলে সঠিক অডিয়েন্সের কাছে আপনার সার্ভিস বা প্রোডাক্টকে তুলে ধরতে পারবেন।

স্যোশাল মিডিয়া মার্কেটিং শিখে লাভ কি?

আজকাল সব দক্ষতাই কোন না কোন ভাবে কাজে লাগানো যায়, স্যোশাল মিডিয়া মার্কেটিং শেখা থাকলে কোন ক্ষতি নেই। বরং এটা শিখেও আপনি বিভিন্ন ভাবে লাভবান হতে পারবেন, যেমন :

নিজের প্রতিষ্ঠানের মার্কেটিং

আপনার নিজের যদি কোন ব্র্যান্ড/প্রতিষ্ঠান কিংবা ব্যবসা থাকে তাহলে সেটার প্রচার করার জন্য স্যোশাল মিডিয়া মার্কেটিং শিখতে পারেন। এতে করে আপনার টাকা ও সময় বেঁচে যাবে মার্কেটিং করার জন্য।

চাকরি

আজকাল স্যোশাল মিডিয়া মার্কেটিং শিখে ক্যারিয়ার পর্যন্ত গড়ে তোলা যায়। আপনি যদি এসব কাজ শিখেন তাহলে ভালো বেতনে চাকরি করতে পারবেন, অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যারা স্যোশাল মিডিয়ায় মার্কেটিং করার জন্য স্যোশাল মিডিয়া মার্কেটার কিংবা ম্যানেজার নিয়োগ দিয়ে থাকে।

ফ্রিল্যান্সিং

স্যোশাল মিডিয়া মার্কেটিং শিখে বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজ করে প্রচুর টাকা আয় করতে পারবেন। এমন অনেক মানুষ আছে যারা নিজেদের ব্যবসা কিংবা প্রতিষ্ঠানের জন্য স্যোশাল মিডিয়া ম্যানেজার হায়ার করে থাকে। আপনি যদি ফাইবারে গিয়ে social media manager লিখে সার্চ করেন তাহলে এমন অনেক গিগ দেখতে পারবেন, যারা স্যোশাল মিডিয়া মার্কেটিং এর কাজ করে প্রচুর টাকা আয় করছে।

ফ্রিল্যান্সিং কি? কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শিখে আয় করবেন?

আমাদের শেষ কথা

কোন কাজে সফলতা অর্জন করতে চাইলে সময় নিয়ে সেটা করতে হবে, আপনি যদি খুব দ্রুত ফলাফল পেতে চান, তাহলে আপনাকে দিয়ে স্যোশাল মিডিয়া মার্কেটিং হবে না। প্রথমে মার্কেটিং করে অডিয়েন্সের আস্থা অর্জন করতে হবে এরপর তারা আপনার কাছ থেকে আপনার প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিস নিবে। তাই এ কাজে হাল ছাড়া যাবে না। নিয়মিত মার্কেটিং করে গেলে ধীরে ধীরে আপনার ব্র্যান্ড অ্যাওয়ানেস বাড়বে এরপর আপনার প্রতিষ্ঠান পপুলার হবে। আরো একটি কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা প্রয়োজন সেটা হলো স্যোশাল মিডিয়া মার্কেটিং জনপ্রিয় হলেও ট্রেডিশনাল মার্কেটিং ব্যাকডেটেড হবে না। পৃথিবী যতদিন আছে ততো দিন ট্রেডিশনাল মার্কেটিং থাকবেই। ট্রেডিশনাল মার্কেটিংকে বাদ দিয়ে শুধু ডিজিটাল মার্কেটিং করে ব্যবসার গ্রোথ বাড়ানো যাবে না। তাই ডিজিটাল মার্কেটিং এর পাশাপাশি ট্রেডিশনাল মার্কেটিং চালিয়ে যেতে হবে।

স্যোশাল মিডিয়া মার্কেটিং


Post a Comment